ঢাকা
১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
খবরের কাগজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় সায়মা আহমেদ #2

সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় সায়মা আহমেদ #2

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শেষ হলেও এখনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আভাস অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন রমজান মাসেই অনুষ্ঠিত হতে পারে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি জোটের ভাগেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন পড়তে পারে। ফলে দলটির ভেতরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে তৎপরতা।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর চট্টগ্রাম জেলাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নিয়ে চলছে আলোচনা। জেলা শহরের রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে চায়ের দোকান- সবখানেই আলোচনার বিষয়, কারা পাচ্ছেন মনোনয়ন। এ তালিকায় উঠে এসেছে চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা–কর্ণফুলী) এলাকার তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক সায়মা আহমেদের নাম।

দলীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, সায়মা আহমেদ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহসভাপতি প্রয়াত কাস্টমস জালাল উদ্দিন আহমেদের কন্যা। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শিক্ষাজীবনে এমবিএ (ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং) সম্পন্ন করা এই নেত্রী বর্তমানে আমদানি–রপ্তানি ও ট্রেডিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছেন।

দলীয় সূত্র জানায়, সায়মা আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামে তার উপস্থিতি ও সংগঠক হিসেবে ভূমিকা স্থানীয় নেতাকর্মীদের নজর কেড়েছে। বিশেষ করে আনোয়ারা ও কর্ণফুলী এলাকার তৃণমূল পর্যায়ে তার যোগাযোগ ও সক্রিয়তাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, প্রয়াত জালাল উদ্দিন আহমেদ দলের দুঃসময়ে আনোয়ারা-কর্ণফুলী এলাকাকে সংগঠিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তার নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক দক্ষতায় এ আসন দীর্ঘদিন বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি পায়। সে কারণেই তার কন্যা সায়মা আহমেদকে সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনার দাবি উঠছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সায়মা আহমেদ বলেন, ‘আমি শুরু থেকেই দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আন্দোলন-সংগ্রামে দল ও নেতৃত্বের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়টি দলীয় সিদ্ধান্ত। দল আমার কাজকে কীভাবে মূল্যায়ন করবে, সে সিদ্ধান্তের ওপরই আমি আস্থা রাখছি।’

সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন চূড়ান্ত হলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনীতি সংশ্লিষ্টরা।

Facebook Comments Box